এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সার মূলত মেনোপজের পর বেশি দেখা যায়। জীবনধারাভিত্তিক পদক্ষেপ রোগের ঝুঁকি কমাতে এবং চিকিৎসার পাশাপাশি সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে
কীভাবে জীবনধারায় কাজ করবেন
১ খাদ্য ও ওজন নিয়ন্ত্রণ
- ফল ,শাকসবজি ,পূর্ণ শস্য, ডাল ,বাদাম ও মাছভিত্তিক সুষম খাদ্য বেছে নিন ।
- অতিরিক্ত ক্যালোরি এবং চিনি লবণ ও ট্রান্স ফ্যাট কমান ।
- স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন কারণ স্থূলতা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও অতিরিক্ত ইস্ট্রোজেনের মাধ্যমে ঝুঁকি বাড়ায় ।
২ নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন
- সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার অ্যারোবিক ক্রিয়া যেমন হাঁটা ,সাইক্লিং, সাঁতার ।
- সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন রেসিস্ট্যান্স ব্যায়াম করলে শরীরের চর্বি কমে পেশি ও মেটাবলিজম উন্নত হয় ।
৩ হরমোন ও প্রজননস্বাস্থ্য সচেতনতা
- মেনোপজে ইস্ট্রোজেন ব্যবহার করলে চিকিৎসকের পরামর্শে প্রোজেস্টেরন যুক্ত করুন কারণ একা ইস্ট্রোজেন ঝুঁকি বাড়ায় ।
- জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়িতে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টিন একসাথে থাকলে অনেকের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে ঝুঁকি কমতে পারে এই বিষয়ে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন ।
- পিসিওএস ডায়াবেটিস থাইরয়েড বা অনিয়মিত মাসিক থাকলে চিকিৎসা নিন ।
৪ দৈনন্দিন অভ্যাস ও মানসিক সুস্থতা
- ধূমপান পরিহার করুন এবং অ্যালকোহল সীমিত করুন ।
- নিয়মিত ঘুম, চাপ নিয়ন্ত্রণ ধ্যান বা হালকা যোগব্যায়াম অনুশীলন করুন ।
- হজমে সহায়ক ফাইবারসমৃদ্ধ খাদ্য এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন ।
৫ সতর্ক সংকেত ও নিয়মিত পরামর্শ
- মেনোপজের পর যেকোনো অস্বাভাবিক রক্তপাত সাথে সাথে মূল্যায়ন করুন ।
- চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ওষুধ প্রয়োজনে অপারেশন রেডিয়েশন বা কেমোথেরাপি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিন ।
- জীবনধারা পরিবর্তন চিকিৎসার বিকল্প নয় তবে চিকিৎসার ফল ভালো রাখতে সহায়ক ।
এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সারের নিশ্চিত প্রতিরোধ নেই তবে স্বাস্থ্যকর ওজন সুষম খাদ্য নিয়মিত ব্যায়াম হরমোন ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা, ধূমপান বর্জন এবং অস্বাভাবিক রক্তপাত হলে দ্রুত পরীক্ষা এই সব মিলিয়ে ঝুঁকি কমে এবং সুস্থ থাকা সহজ হয় ।





