খেজুর বা ডেটস (Dates) প্রাচীনকাল থেকেই শক্তি ও পুষ্টির অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে পরিচিত। এটি শুধু রোজা ভাঙার খাবার নয়, বরং দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় যুক্ত করার মতো একটি পূর্ণাঙ্গ সুপারফুড। খেজুরে রয়েছে প্রাকৃতিক চিনি, ফাইবার, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী ও সুস্থ রাখে।
খেজুরের পুষ্টিগুণ
- প্রাকৃতিক গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ: দ্রুত শক্তি জোগায়
- উচ্চ ফাইবার :হজমে সহায়ক
- আয়রন :রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সাহায্য করে
- পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম :হার্ট ও পেশির জন্য উপকারী
- অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: কোষের ক্ষয় রোধ করে
খেজুরের স্বাস্থ্য উপকারিতা
১. দ্রুত শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ায়
খেজুর শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি দেয়, তাই দুর্বলতা ও ক্লান্তিতে এটি খুব কার্যকর।
২. হজম শক্তিশালী করে
খেজুরের ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং অন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করে।
৩. রক্তস্বল্পতা কমাতে সহায়ক
আয়রনসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে।
৪. হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা দেয়
পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
৫. গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের জন্য উপকারী
খেজুর শক্তি জোগায় এবং প্রসবকালীন ক্লান্তি কমাতে সহায়তা করে।
খেজুর খাওয়ার সেরা উপায়
- সকালে খালি পেটে ২–৩টি খেজুর
- দুধের সাথে ভিজিয়ে খাওয়া
- ওটস বা স্মুদিতে মিশিয়ে
- রোজা ভাঙার সময় পানির সঙ্গে
সতর্কতা
- ডায়াবেটিস থাকলে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ জরুরি
- অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়তে পারে
খেজুর একটি সহজলভ্য কিন্তু অত্যন্ত পুষ্টিকর ফল। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে খেলে এটি শক্তি, হজম ও সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী।





